একাদশ শ্রেণীর বাংলা || কবিতা নুন থেকে বিস্তারিত কিছু প্রশ্ন উত্তর ||
কবিতার
সারাংশ ও সারমর্মঃ
জয় গোস্বামীর লিখিত ‘নুন’ কবিতা সমাজের খেটে খাওয়া, গরিব শ্রেণীর মানুষের কবিতা। কবিতায় স্থান পেয়েছে তাঁদের দুঃখের কথা, তাঁদের অভাবের কথা। এই মানুষদের বেশি চাওয়া পাওয়া নেই । তারা অল্পতেই খুশি তাঁদের নেই কোন অভিযোগ অনেক বেশি পাওয়ার। এদের জীবন অতি সাধারন তারা সম্পূর্ণ দিন পরিশ্রম করে যা উপার্জন করে তাহাতেই তাঁদের সংসার চলে। অনেকদিন তাঁরা অনেক কিছু ক্রয় করতে পারেনা তাদের আর্থিক অসচ্ছলতার কারণে তাঁদের বাড়ি ফিরতে হয় অনেক কিছু না নিয়ে।
যদিও তাহারা অভাবে ভুগে কিন্তু তাদের নেশা থেমে থাকে না। আর্থিক ভাবে সচ্ছল না হলে তাঁদের বিলাসিতার ইচ্ছে হয়। তাঁদের ইচ্ছে হয় কখনো বা একটি গোলাপ ফুলের চারা লাগানোর কিন্তু লাগাবার জায়গাটা ও তাঁদের নেই।
অভাবের টানে অনেক সময় তাদের ঠান্ডা ভাতে নুন টুকু ও জোটে না। তখনই শুরু হয় উৎপাত এবং এই উৎপাতের শব্দ শুনতে পায় সমস্ত পাড়ার মানুষ। কিন্তু ইহাতে তাঁদের কোন লজ্জা বোধ হয় না কারণ কেহই তাহাদের কথা ভাবে না। তাঁদের জীবন যাপনের নিত্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা ও কেউই তাদের দেয়নি। তাই তাঁদের কাতর আবেদন যে তাদের নুনের ব্যবস্থা হোক। অর্থাৎ তাহাদের নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের অভাব গুছিয়ে যাক।
তাই এই কবিতায় নুন শুধুমাত্র একটি উদাহরণ, একটি উপলক্ষ। নুন হচ্ছে দরিদ্র, মধ্যবিত্ত মানুষের চাওয়া পাওয়ার প্রতীক। যেভাবে নুন বা লবন রান্নার জন্য একটি মৌলিক উপাধান সেইভাবে তাহাদের জীবনে দু বেলা দুমুটো ভাত তাহাদের মৌলিক চাওয়া পাওয়া। কিন্তু সেইটুকু ও তাহাদের কপালে জুটেনা এবং এই মানুষদের তাহার ব্যবস্থা হউক এটা কেউ দেখে না । তাই নুন কবিতাটি দরিদ্র মানুষের আর্থ-সামাজিক অসচ্ছলতার প্রতীক।
প্রশ্ন– “আমাদের শুকনো ভাতে লবণের ব্যবস্থা হোক”– কে, কাদের কাছে এই দাবি করেছে? এই দাবি কতটা যুক্তিসঙ্গত? [একাদশ বার্ষিক ২০১৭]
অথবা, ” আমাদের শুকনো ভাতে লবণের ব্যবস্থা হোক “– কে বলেছে? এ দাবি কার কাছে? কেন? [একাদশ বার্ষিক ২০১৪]
অথবা, “আমাদের শুকনো ভাতে লবণের ব্যবস্থা হোক”– নুন কবিতা অবলম্বনে এ দাবির যৌক্তিকতা বিচার করো।
উত্তর– গরিব, নিম্নবিত্ত শ্রেণির মুখপাত্র হিসেবে কবি জয় গোস্বামী তাঁর রচিত ‘নুন’ কবিতায় শাসকশ্রেণি তথা সমগ্র সমাজের কাছে এই দাবি জানিয়েছেন। কবি জয় গোস্বামী জানিয়েছেন যে, দুঃখ করে লাভ নেই বলেই গরিব মানুষেরা অল্পতেই খুশি হয়। সাধারণ ভাত-কাপড়েই তাদের দিন চলে যায়। কঠোর পরিশ্রম করে তারা দু-বেলা অন্নবস্ত্রের প্রয়োজন মেটায়। এদের যেমন কোনো সঞ্চয় নেই, তেমনি শখ মেটানোর জন্য নেই কোনো দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা।
অসুখ করলে রোজগার বন্ধ হয়ে যাওয়াতে তারা ধারদেনা করে সংসার চালায়, অতিকষ্টে তারা দিন কাটায়। কিন্তু কোনোসময় তাদের প্রতিদিনের জীবনে এই সমান্যটুকুও যখন যোটে না, তখনই তাদের মাথা ঠিক থাকে ন। নেশায় মেতে ওঠে, বাড়িতে অশান্তি করে, সারা পাড়ায় পৌঁছায় তাদের ক্ষোভের আওয়াজ। এই চরম অভাব আর অসহায়তার কারণেই তাদের কন্ঠে শোনা যায় নিজেদের অধিকারের দাবির ঘোষনা– ” আমরা তো সামান্য লোক/ আমাদের শুকনো ভাতে লবণের ব্যবস্থা হোক।
” শাসকশ্রেণি তথা সমগ্র সমাজের কাছে গরিব-দুঃখী মানুষের প্রতিনিধি কথকের একান্ত আবেদন, এই গরিব-দুঃখী, নিম্নবিত্ত মানুষদের প্রতিদিনের শুকনো ভাতে বেঁচে থাকার জন্য অন্ততপক্ষে নূন্যতম প্রয়োজনীয় নুন/লবণের ব্যবস্থাটুকু যেন করা হয়।
নুন MCQ (একাদশ শ্রেণি)
সঠিক বিকল্পটি বেছে নাও । প্রতিটা প্রশ্নের মান :১
১ . নুন কবিতাটি কার লেখা ? ক . সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় খ . শক্তি চট্টোপাধ্যায় গ . জয় গোস্বামী
উ . গ
২ . জয় গোস্বামী কত সালে জন্মগ্রহণ করেন ? ক . ১৯৫০ খ . ১৯৪৫ গ . ১৯৫৪
উ . গ
৩ . জয় গোস্বামীর শিক্ষাগত যোগ্যতা কত দূর ? ক . দশম খ . একাদশ গ . দ্বাদশ
উ . খ
৪ . কোন কাব্যগ্রন্থের জন্য জয় আনন্দ পুরষ্কার পান ? ক . ঘুমিয়েছো ঝাউপাতা খ . নীল দিগন্ত গ . ক্রিসমাস ও শীতের সনেটগুচ্ছ
উ . ক
৫ . কোন কাব্যগ্রন্থের জন্য কবি সাহিত্য একাদেমি পান ? ক . ঘুমিয়েছো ঝাউপাতা খ . নীল দিগন্ত গ . পাগলি তোমার সঙ্গে
উ . গ
৬ . জয় গোস্বামীর একটি উপন্যসের নাম কি ? ক . পিতা খ . মাতা গ . সন্তান
উ . ক
৭ . নুন কবিতাটি কোন কাব্যগ্রন্থ থেকে গৃহীত হয়েছে ? ক . ভাত খ . ভূতুমভগবান গ . মানুষ
উ . খ
৮ . ভূতুমভগবান কাব্যগ্রন্থটি কত সালে প্রকাশিত হয় ? ক . ১৯৮৮ খ . ১৯৯০ গ . ১৯৮০
উ . খ
৯ . নুন কবিতাটি প্রথম কোন জেলার ছোট পত্রিকাতে প্রকাশিত হয় ? ক . মুর্শিদাবাদ খ . নদীয়া গ . ২৪ পরগনা
উ . খ
১০ . ভূতুমভগবান কাব্যগ্রন্থটি কবি কাকে উৎসর্গ করেছিলেন ? ক . সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় খ . অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত গ . ডা. জয়ন্ত সেন
উ . গ
১১ . বেঁচে থাকবার জন্য প্রাথমিক ভাবে মানুষের কি প্রয়োজন ? ক . অন্ন বস্ত্র বাসস্থান খ . খাদ্য পোশাক গ . জল অন্ন
উ . ক
১২ . কবিতা কথকের চাহিদা কেমন ? ক .বেশি খ . মাঝারি গ . যৎসামান্য
উ . গ
১৩ . কবিতার কথক বাঁচবার জন্য কোন দুটি বিষয়ের উপর জোর দিয়েছেন ? ক . অন্ন বস্ত্র খ . বাসস্থান জল গ . বাসস্থান অন্ন
উ . ক
১৪ . কিভাবে তাদের দিন চলে ? ক . মহা সুখে খ . দুঃখে গ . অসুখ আর ধার দেনাতে
উ . গ
১৫ . তাদের জীবনের ধরণ কেমন ? ক . সুখের খ . সুখ দুঃখে গ . অসুখে
উ . গ
নুন SAQ (একাদশ শ্রেণি)
1.”আমরা তাে অল্পে খুশি; কী হবে দুঃখ করে?”- দুঃখ করে কিছু হবে না বলে কবি কেন মনে করেছেন?
উত্তর:- কবি জয় গােস্বামী তাঁর ‘নুন’ কবিতায় দুঃখ করে কিছু হবে না বলে মনে করেছেন, কারণ বেশি সুখের কোনাে সম্ভাবনাই দরিদ্র নিম্নবিত্ত মানুষের জীবনে নেই।
2″আমাদের দিন চলে যায় সাধারণ ভাতকাপড়ে”- এর মধ্যে দিয়ে কী প্রকাশিত হয়?
উত্তর:- বক্তব্যটির মধ্যে দিয়ে প্রকাশিত হয় হতদরিদ্র নিম্নবিত্ত মানুষের প্রতিনিধি কথকের কোনােরকমে দিনযাপনের কথা।
3″রাত্তিরে দু-ভাই মিলে টান দিই গঞ্জিকাতে”- এই গঞ্জিকাতে টান দেওয়ার তাৎপর্য কী?
উত্তর:- গঞ্জিকাতে টান দেওয়ার তাৎপর্য হল জীবনের যন্ত্রণাকে, কঠোর বাস্তবকে ভুলে থাকার ব্যর্থ চেষ্টা।
4.“সব দিন হয় না বাজার হলে, হয় মাত্রাছাড়া”- এই মাত্রাছাড়া’ কথাটির মাধ্যমে কবি কী বােঝাতে চেয়েছেন?
উত্তর:- জয় গােস্বামী তার ‘নুন’ কবিতায় এই ‘মাত্রাছাড়া কথাটির মাধ্যমে গরিব মানুষের বেহিসেবি এবং অসংযমী জীবনােচ্ছাসকে বােঝাতে চেয়েছেন।
5.’নুন’ কবিতায় কিনে আনা গােলাপচারাটি কীসের প্রতীক?
উত্তর:- জয় গােস্বামীর নুন কবিতায় কিনে আনা গােলাপচারাটি নিম্নমধ্যবিত্তের গােপনে লালিত সৌন্দর্যবিলাসের প্রতীক।
6.”কিন্তু, পুতবাে কোথায়?” – গোলাপচারা সম্পর্কে কথকের এই মন্তব্য স্পষ্ট করাে।
উত্তর:- “কিন্তু, পুঁতবাে কোথায়?”- গােলাপচারা সম্পর্কে এই মন্তব্যের কারণ হল দরিদ্র কথকের কোনােভাবে শুধু মাথাগোঁজার স্থানটুকুই আছে।
7.গােলাপচারায় ফুল হওয়াকে কবি সে অনেক পরের কথা বলেছেন। এর কারণ কী?
উত্তর:- কবি গােলাপচারায় ফুল হওয়াকে সে অনেক পরের কথা বলেছেন, কারণ কথক তথা নিম্নবিত্ত হতদরিদ্র মানুষদের তখন সেই ভবিষ্যৎ সুখের বিষয়ে ভাবার ধৈর্য ছিল না।
8.”মাঝে মাঝে চলেও না দিন”- এই উক্তির মধ্য দিয়ে কবি কী বােঝাতে চেয়েছেন?
উত্তর:- “মাঝে মাঝে চলেও না দিন”- এই উক্তির মধ্য দিয়ে কবি নিম্নবিত্ত হতদরিদ্র মানুষের অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তার কথা বােঝাতে চেয়েছেন।
9.কথকের দুপুররাতে বাড়ি ফেরা কী প্রমাণ করে?
উত্তর:- কথকের দুপুররাতে বাড়ি ফেরা প্রমাণ করে, কথককে জীবনধারণের জন্য উদয়াস্ত কঠোর পরিশ্রম করতে হয়।
10.“আমরা তাে সামান্য লোক”- সামান্য শব্দটি এখানে কীসের প্রতীক?
উত্তর:- ‘নুন’ কবিতায় ‘সামান্য’ শব্দটি নিম্নবিত্ত হতদরিদ্র মানুষের সামান্য অধিকার রক্ষিত না হওয়ার ক্রোধ ও অভিমানের প্রতীক।
11.’নুন’ কবিতায় কবি কাদের কথা তুলে ধরেছেন?
উত্তর:- জয় গােস্বামী তার ‘নুন’ কবিতায় দীনদরিদ্র শ্রমজীবী মানুষের কথা তুলে ধরেছেন।
12.অসুখ করলে তারা কীভাবে দিন কাটায়?
উত্তর:- জয় গােস্বামীর নুন কবিতায় দেখা যায়, অসুখ করলে তারা ধারদেনা করে এবং যন্ত্রণা ভুলতে নেশা করে দিন কাটায়।
13.সবদিন বাজার হয় না কেন তাদের?
উত্তর:- জয় গােস্বামীর ‘নুন’ কবিতায় দেখা যায়, নিম্নবিত্ত হতদরিদ্র মানুষদের সবদিন বাজার হয় না কারণ সবদিন ঠিকমতাে কাজ করে উপযুক্ত পারিশ্রমিক মেলে না বা কাজও মেলে না।
14.গােলাপচারা কিনে আনার অর্থ কী?
উত্তর:- গােলাপচারা কিনে আনার অর্থ হল দীনদরিদ্র গরিব মানুষেরও সৌন্দর্যবােধ ও বিলাসিতার শখ আছে, যা তারা সুযােগ পেলেই পূরণ করার চেষ্টা করে।
15.গােলাপচারা নিয়ে শেষে কী সমস্যার উদ্ভব হয়?
উত্তর:- জয় গােস্বামীর নুন কবিতায় দেখা যায়, গরিব মানুষের বসবাসের সামান্য সংস্থানে গােলাপচারা পোঁতবার জন্য উপযুক্ত স্থান পাওয়া যায় না।
16.গােলাপচারায় ফুল ফুটবে কি না তা নিয়ে সংশয়ের কারণ কী?
উত্তর:- গােলাপচারায় ফুল ফুটবে কি না তা নিয়ে সংশয়ের কারণ উপযুক্ত পরিচর্যা করে গােলাপচারা থেকে ফুল ফোটানাের জন্য প্রচুর অবসর সময় চাই, যা গরিব মানুষের নেই।
17.”সে অনেক পরের কথা”—এখানে কোন্ কথা বলা হয়েছে?
উত্তর:- আলােচ্য অংশে গােলাপচারায় ফুল ফোটবার কথা বলা হয়েছে।
18.’নুন’ কবিতায় ‘আমরা’ কারা?
উত্তর:- জয় গােস্বামীর নুন কবিতায় আমরা বলতে দীনদরিদ্র, গরিব-দুঃখী, যারা অল্পেই খুশি তাদের কথা বলা হয়েছে।
19.”খেতে বসে রাগ চড়ে যায়”- রাগ চড়ে যাওয়ার কারণ কী?
উত্তর:- জয় গােস্বামীর নুন কবিতায় দেখা যায়, যখন রাতদুপুরে বাড়ি ফিরে ঠান্ডা ভাতে একটু নুন পায় না নিম্নবিত্ত হতদরিদ্র মানুষেরা, তখন তাদের রাগ চড়ে যায়।
20.মাঝে মাঝে এদের দিন চলে না কেন?
উত্তর:- জয় গােস্বামীর নুন’ কবিতায় দেখা যায়, মাঝে মাঝে নিম্নবিত্ত হতদরিদ্র মানুষদের অর্থের অভাবে দিন চলে না।
21.মাথায় রাগ চড়লে বাপব্যাটা কী করে?
উত্তর:- জয় গােস্বামীর নুন কবিতায় দেখা যায়, মাথায় রাগ চড়লে বাপব্যাটা মিলে চেঁচিয়ে অশান্তি করে সারাপাড়া মাথায় করে।
22.“করি তাে কার তাতে কী”—একথা বলার কারণ কী?
উত্তর:- গরিব মানুষের অনিয়মিত অশান্তিময় অভাবী জীবন থেকে জন্ম নেওয়া অসংযম এবং অশালীন ঔদ্ধত্যের প্রকাশ ফুটে উঠেছে আলােচ্য উদ্ধৃতিটিতে।
23.এখানে শুকনাে ভাতের কথা বলা হয়েছে কেন?
উত্তর:- জয় গােস্বামীর ‘নুন’ কবিতায় শুকনাে ভাতের কথা বলা হয়েছে কারণ পব্যঞ্জনে সজ্জিত অন্ন গরিবের কাছে স্বপ্নের অতীত।
24.কবি এই কবিতায় গরিব মানুষের কেবল নুনের চাহিদাকেই তুলে ধরেছেন কেন?
উত্তর:- জয় গােস্বামী তার নুন কবিতায় গরিব মানুষের কেবল নুনের চাহিদাকেই তুলে ধরেছেন, কারণ ভাতের সঙ্গে শুধুমাত্র নুনের সংস্থান হলেই গরিবের সুখে দিন চলে যায়।
25.কবির কথায় তাদের মতাে মানুষের দিন কীভাবে চলে যায়?
উত্তর:- কবির কথায় তাদের মতাে মানুষের সাধারণ ভাতকাপড়ে, অসুখে আর ধারদেনাতে অর্থাৎ কষ্টেসৃষ্টে দিন চলে যায়।
26.কবি বেশি কিছু না চাওয়ার কথা বলেছেন কেন?
উত্তর:- হেসেখেলে কষ্ট করে অল্পতেই খুশি থাকার জন্যই কবি বেশি কিছু না চাওয়ার কথা বলেছেন।
27.কথক কখন বাড়ি ফিরতেন?
উত্তর:- রাতে, কখনাে কখনাে দুপুররাতে কবি বাড়ি ফিরতেন।
28.খেতে বসে কথকের রাগের কারণ কী ছিল?
উত্তর:- খেতে বসে ঠান্ডা ভাতে নুন না জুটলে কথকের মাথায় রাগ চড়ে যেত।
29.ঠান্ডা ভাতে নুন না থাকাকে কীসের প্রকাশ বলে মনে করা যায়?
উত্তর:- ঠান্ডা ভাতে নুন না থাকাকে দারিদ্র্যের প্রকাশ বলে মনে করা যায়।
30’নুন’ কবিতার শেষে কবি কীসের ব্যবস্থা করার দাবি জানিয়েছেন?
উত্তর:- নুন কবিতার শেষে কবি তাঁর মতাে সাধারণ মানুষের জন্য অন্ততপক্ষে শুকনাে ভাতে একটু লবণের ব্যবস্থা করার দাবি জানিয়েছেন।
31.’নুন’ কবিতায় বক্তা গােলাপচারা কিনে এনে কী ভাবেন?
উত্তর:- নুন কবিতায় বক্তা গােলাপচারা কিনে এনে ভাবেন যে, সেটি কোথায় পুঁতবেন বা তাতে আদৌ ফুল হবে কি না।
32.’নুন’ কবিতার শেষে কবি কী বাসনা জানিয়েছিলেন?
উত্তর:- ‘নুন’ কবিতার শেষে একজন সামান্য লােক’ হিসেবে কবি তাদের শুকনাে ভাতে যাতে একটু লবণের ব্যবস্থা হয় সেই বাসনা জানিয়েছিলেন।
33.’নুন নেই ঠাণ্ডা ভাতে’ জীবনের কোন সত্যকে স্পষ্ট করে?
উত্তর:- নুন নেই ঠাণ্ডা ভাতে কথাটির দ্বারা নিম্নবিত্ত মানুষদের জীবনের দারিদ্র্য আর অসহায়তার কথা বলা হয়েছে।
34.”ফুল কি হবেই তাতে?”- বক্তার এই সংশয়ের কারণ কী?
উত্তর:- বক্তার এই সংশয়ের কারণ তাদের অসহায় দরিদ্র-জীবনে সঠিকভাবে গােলাপচারাকে পরিচর্যা করার সুযােগ বা সময় নেই।
35.”আমি তার মাথায় চড়ি”— কবি কার মাথায় চড়েন এবং কেন?
উওর:- কবি রাগের মাথায় চড়েন কারণ রাতে বাড়ি ফিরে ঠান্ডা ভাতে নুনটুকুও না পেয়ে কবি সংযম হারান।
36.”চলে যায় দিন আমাদের”- দিন কীভাবে চলে যায়?
উওর:- বক্তার দিন চলে যায় অসুখে এবং ধারদেনাতে, আর রাত্তিরে গঞ্জিকা সেবনের মধ্য দিয়ে।
37.”বাড়িতে ফেরার পথে কিনে আনি গােলাপাচারা”- বক্তা কেন গোলাপ চারা কিনে আনেন?
উওর:- নিম্নবিত্ত মানুষরা অনেক অভাবের মধ্যেও তাদের শখ পূরণের জন্য গােলাপচারা কিনে আনে।
38.“বাপব্যাটা দু’ভাই মিলে সারা পাড়া মাথায় করি”- কেন তাদের এমন ব্যবহার?
উত্তর:- গভীর রাতে বাড়ি ফিরে যখন ঠান্ডা ভাতে নুনটুকুও পাওয়া যায় না তখন রাগ অনিয়ন্ত্রিত হয়ে বাপব্যাটা সারা পাড়া মাথায় করে।