Join Our Telegram Channel/ Daily New Update

বাংলা সাজেশন || পথের দাবী গল্পের সাজেশন || প্রশ্ন উত্তর সাজেশন

 বাংলা সাজেশন || পথের দাবী গল্পের সাজেশন || প্রশ্ন উত্তর সাজেশন



পথের দাবী সাজেশন

পথের দাবী : বহু বিকল্পভিত্তিক প্রশ্নোত্তর [MCQ] : [প্রতিটি প্রশ্নের মান-1]

1. “আমার মনে হয় এ শহরে আরও কিছুদিন নজর রাখা দরকার।”—শহরটির নাম—

[A] ভামাে     [B] শােবাে     [C] রেঙ্গুন     [D] প্রােম

Answer : [C] রেঙ্গুন

2. রাতেরবেলা ট্রেনের মধ্যে পুলিশের লােক অপূর্বর বার-তিনেক ঘুম ভাঙাবার কারণ—

[A] চুরি হওয়া জিনিসপত্রের লিস্ট নেওয়ার জন্য।     [B] যারা তার টাকা-পয়সা চুরি করেছিল তাদের নাম জানার জন্য।     [C] ভারতীয় বিদ্রোহীদের নাম জানার জন্য।     [D] নাম-ধাম-ঠিকানা লেখার জন্য

Answer : [D] নাম-ধাম-ঠিকানা লেখার জন্য

3. “আশ্চয্যি নেহি হ্যায় বাবুসাহেব।”—বাবুসাহেবটি হলেন—

[A] অপূর্ব     [B] পুলিশ ইনপেক্টর     [C] জগদীশবাবু।     [D] সব্যসাচী মল্লিক

Answer : [A] অপূর্ব

4. “সুমুখের ঘড়িতে – বাজিতে সে উঠিয়া দাঁড়াইল।” শূন্যস্থান পূরণ করাে]

[A] একটা    [B] তিনটা     [C] পাঁচটা     [D] সাতটা

Answer : [B] তিনটা

5. “এই জানােয়ারটাকে — করার দরকার নেই, বড়ােবাবু।” (শূন্যস্থান পূরণ করাে]

[A] ওয়াচ     [B] দেখা     [C] মারার     [D] বন্ধ

Answer : [A] ওয়াচ

6. ফিরিঙ্গি ছোঁড়ারা লাথি মেরে প্ল্যাটফর্ম থেকে বের করে দিয়েছিল—

[A] নিমাইকে     [B] অপূর্বকে     [c] জগদীশবাবুকে     [D] সব্যসাচীকে

Answer : [B] অপূর্বকে

7. “অথচ, গভর্নমেন্টের কত টাকাই না এরা বুনাে হাঁসের পিছনে ছুটোছুটি করে অপব্যয় করলে!”–‘বুনাে হাঁসের পিছনে ছুটোছুটি’ বলতে বােঝানাে হয়েছে—

[A] অপ্রাপ্য বস্তুর চাহিদা     [B] হাতির পিছনে ছােটা     [C] চোরা শিকারীদের পিছনে ছােটা     [D] অসম্ভব কল্পনা করে ছােটা

Answer : [A] অপ্রাপ্য বস্তুর চাহিদা

8. সুমুখের হলঘরের বাঙালিরা সকলেই —

[A] পূর্বব্ৰয়ে তেলের খনির কারখানায় দারােয়ানের কাজ করছিল।     [B] পশ্চিমব্রত্মে তেলের খনির কারখানায় চাপরাশির কাজ করছিল     [C] উত্তরব্রষ্মে তেলের খনির কারখানায় মিস্ত্রির কাজ করছিল।     [D] দক্ষিণব্রয়ে তেলের খনির কারখানায় ম্যানেজারের কাজ করছিল

Answer : [A] পূর্বব্ৰয়ে তেলের খনির কারখানায় দারােয়ানের কাজ করছিল

পথের দাবী : অতিসংক্ষিপ্ত উত্তরধর্মী প্রশ্নোত্তর :[ প্রতিটি প্রশ্নের মান-1]

1. পলিটিক্যাল সাসপেক্ট ব্যক্তিটি তার কী নাম বলেছিল?

Answer : রেঙ্গন পুলিশের বড় কর্তা নিমাইবাবু নাম জিজ্ঞাসা করায় পলিটিক্যাল সাসপেক্ট তার বলেছিল গিরীশ মহাপাত্র। | ৭০] দশম বাংলা সাজেশন

2. পলিটিক্যাল সাসপেক্ট বলতে কী বােঝায়?

Answer : পলিটিক্যাল সাসপেক্ট বলতে বােঝায় রাজনৈতিক সন্দেহভাজন। রাজনৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকে সন্দেহভাজন ব্যক্তিকেই এখানে ‘পলিটিক্যাল সাসপেক্ট বলা হয়েছে। শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত “পথের দাবী’ গল্পাংশে বিপ্লবী সব্যসাচী মল্লিককে উক্ত অভিধা দেওয়া হয়েছে।

3, কাকে, কী সন্দেহে আটকে রখা হয়েছিল ?

Answer : শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত পথের দাবী’ গল্পাংশ সব্যসাচী মল্লিককে পলিটিক্যাল সাসপেক্ট সন্দেহবশত আটকে রাখা হয়েছিল।

4, “কিন্তু শখ যােলাে আনাই বজায় আছে।”—কোন প্রসঙ্গে কে এমন উক্তি করেছিলেন?

Answer : গিরীশ মহাপাত্রের পােশাক বা বেশভূষার বাহার প্রসঙ্গে রেঙ্গুন পুলিশের বড়ােবাবু নিমাইবাবু প্রশ্নোদৃত উক্তিটি করেছিলেন।

5. সব্যসাচীর চোখের দৃষ্টি দেখে কী মনে হয়েছিল ?

Answer : ছদ্মবেশী রাজদ্রোহী সব্যসাচী রং-বেরঙের পােশাক নিজের ব্যক্তিত্বকে ঢেকে রাখতে পারলেও, নিজের বুদ্ধিদীপ্ত চোখ দুটিকে লুকোতে পারেনি। তার জলাশয়ের মতাে গভীর চোখ দুটি দেখে মনে হচ্ছিল যে, এর সঙ্গে খেলা অর্থাৎ কপটতা না। করে, সসম্ভ্রমে সরে দাঁড়ানােই মঙ্গল। এই দৃষ্টির গভীরে যে ক্ষীণ প্রাণশক্তি লুকোনাে আছে মৃত্যুও সেখানে প্রবেশ করতে ভয় পায়।

6. “সে যে বর্মায় এসেছে এখবর সত্য।”—‘সে’ বলতে এখানে কার কথা বলা হয়েছে?

Answer : ‘সে’ বলতে এখানে ভারতের রাজবিদ্রোহী বিপ্লবী সব্যসাচী মল্লিকের কথা বলা হয়েছে।

7. ভামাে নগরের উদ্দেশ্যে কে কাদের সঙ্গে রওনা হল?

Answer : অপূর্ব ভামা নগরের উদ্দেশ্যে বিকেলবেলার ট্রেনে আরদালি এবং অফিসের একজন হিন্দুস্থানী ব্রাত্মণ পেয়াদার সঙ্গে রওনা হল।।

৪. “তুমি তাে ইউরােপিয়ান নও।”—উক্তিটির বক্তা কে?

Answer : প্রশ্নোত উক্তিটির বক্তা হলেন বর্মার একজন পুলিশের সাব-ইন্সপেক্টর মহাশয়ের।

পথের দাবী : সংক্ষিপ্ত উত্তরধর্মী প্রশ্নোত্তর :[ প্রতিটি প্রশ্নের মান-3]

1. “জগদীশবাবু ইতিমধ্যেই তাদের টিনের তােরঙ্গা, ছােটো বাক্স, পুটুলি তুলিয়া তদারক শুরু করে দিয়েছেন।”—তাহাদের বলতে কাদের কথা বলা হয়েছে। তাদের জিনিসপত্র তদারকের কারণ কী?

Answer : তেলের খনির মিস্ত্রি : কথাশিল্পী শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের পথের দাবি উপন্যাসের আলােচ্য অংশে তাদের বলতে জন ছয়েক বাঙালির কথা বলা হয়েছে। এরা সবাই উত্তর ব্রষ্মে বর্মা অয়েল কোম্পানির তেলের খনির কারখানায় মিস্ত্রির কাজ করছিল। কিন্তু সেখানকার জল হাওয়া সহ্য না হওয়ায় সেখানে না থেকে চাকরির উদ্দেশ্যে রেঙ্গনে চলে এসেছিল।

তদারকের কারণ : এই বাঙালি শ্রমিকদের জিনিসপত্র খানা তল্লাসি করার কারণ ছিল, পুলিশের কাছে খবর ছিল যে বাঙালি রাজ বিদ্রোহী সব্যসাচী মল্লিক বর্মা এসেছেন। সেই সন্দেহ থেকে পুলিশের এই অভিমান।

2. গিরীশ মহাপাত্রের চেহারার বর্ণনা দাও।

Answer : চেহারার বর্ণনা : শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের পথের দাবি উপন্যাসের প্রধান চরিত্র সব্যসাচী মল্লিক ছদ্মবেশে বর্মায় আসেন। সেখানে পুলিশ তাকে সন্দেহজনক হিসাবে আটক করলেও তার পােশাক ও চেহারা দেখে চিনতে না পেরে ছেড়ে দেয়। গায়ের রং ফর্সা রােদে পুড়ে তামাটে হয়ে গেছে। বয়স ৩০-৩২, কিন্তু অত্যন্ত রােগা চেহারা। সর্বক্ষণ কাশতে থাকে, কাশির পরিশ্রমে হাঁপাতে থাকে। দেহের মধ্যে কেবল চোখে পড়ে উজ্জ্বল ও গভীর দুটি চোখ।

3. ‘বুনাে হাঁস ধরা এদের কাজ’–এ কথা কে বলেছিলেন? এ কথা বলার কারণ কী?

Answer : বক্তা : শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের পথের দাবি নামাঙ্কিত রচনায় বুনাে হাঁসের কথা বলেছিল রামদাস।

উক্তির কারণ : কথা প্রসঙ্গে অপূর্ব জানিয়েছিল গিরীশ মহাপাত্রকে হাতে পেয়েও সামান্যতম বুদ্ধিমত্তার পরিচয় না থাকায়, তাকে ছেড়ে দেয়। এই পুলিশ কাজকর্ম সম্পর্কে এতটাই অমনােযােগী যে অপূর্বর চুরি হওয়া কোনাে জিনিসের কুল কিনারা করতে পারেনি। সেই কথা পুলিশ শুনে রামদাস রীতিমতাে কৌতুকের সাথে আলােচ্য এই উক্তি করেছিল।

পথের দাবী : রচনাধর্মী প্রশ্নোত্তর : [প্রতিটি প্রশ্নের মান-5]

1. ‘পথের দাবি’ রচনায় অপূর্ব চরিত্রটি সংক্ষেপে আলােচনা কর।

Answer : ভূমিকা : কথা শিল্পী শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত কালজয়ী উপন্যাস পথের দাবি। সেই উপন্যাসের অন্যতম প্রধান চরিত্র অপূর্ব। তৎকালীন ভারতবর্ষের আর পাঁচজন যুবকের মতাে স্পষ্টভাষী ও দেশপ্রেমিক তরুণ। তার চরিত্রের কতগুলি বৈশিষ্ট্য সহজেই চোখে পড়ে।

বিপ্লবী সম্বন্ধে শ্রদধাশীল : অপূর্ব জানত গিরীশ মহাপাত্র আসলে ছদ্মবেশী সব্যসাচী মল্লিক। তিনি সত্যিকারের সাহসী, বিপ্লবী মানুষ, দেশের প্রতি, জন্মভূমির প্রতি অগাধ ভালােবাসা তাই তার প্রতি অপূর্বর হৃদয়ের ভালােবাসা ছিল।

আবেগ প্রবণ : অপূর্ব একজন ব্রাত্মণ মানুষ, সে রেঙ্গনে চাকরি করত। সে মনে মনে চেয়েছিল সব্যসাচী যেন নির্বিঘ্নে পুলিশ স্টেশন থেকে ফিরে যেতে পারে। পরবর্তীকালে তার সম্পর্কে অপূর্বের বিপুল শ্রদ্ধা ও আবেগ প্রকাশ পেয়েছে।

দেশপ্রেমিক : অপূর্ব দেশপ্রেমিক ছিলেন তাই গিরীশ মহাপাত্র রুপী সব্যসাচীকে মনে প্রাণে শ্রদ্ধা করেছিল। অপূর্ব অবাক হয়েছিল। এই কারণে যে তিনি দেশের মঙ্গলের জন্য নিজের শখ, আহ্লাদ ত্যাগ করেছেন।

লাঞ্ছনার স্বীকার : অপূর্বকে অনেক অপমান সহ্য করতে হয়েছিল। ইংরেজ যুবকরা তাকে স্টেশন থেকে লাথি মেরে তাড়িয়ে দিয়েছিল। সে অপমান অপূর্ব কোনওদিন ভুলতে পারেনি।

অমায়িক ব্যবহার : অপূর্বর ব্যবহার সবাইকে মুগ্ধ করে। রামদাসের বাড়িতে সে আশ্রয় গ্রহণ করে এবং তার পত্নীর অনুরােধে খাবার গ্রহণ করে। অপূর্বর ব্যবহারের মধ্যে একনিষ্ট ভাব দেখতে পাওয়া যায়।

মূল্যায়ন : সবদিক দিয়ে বিচার করে বলা যায় অপূর্ব আলােচ্য কাহিনি অংশে মুখ্য চরিত্র। তার doing and suffering উপন্যাসের স্বার্থকতাকে ইঙ্গিতবাহী করে তুলেছে।

2. পথের দাবী রচনায় নিমাইবাবুর চরিত্রটি ব্যাখ্যা কর।

Answer : ভূমিকা : পথের দাবি রচনায় নিমাইবাবু চরিত্রটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তার সাধারণ পরিচয় হল, তিনি পুলিশবাহিনীতে বড়ােবাবু। এই গল্পের অন্যতম চরিত্র অপূর্ব নিমাইবাবুকে আগে থেকে জানত।

যােগ্য নেতৃত্বপ্রধান : নিমাইবাবু পুলিশ কর্মচারীদের মধ্যে বড়ােবাবু। তাই তার কথাই শেষ কথা হিসাবে প্রতিপন্ন হয়েছে। অর্থাৎ সমস্ত বিষয়কেই তিনি চালনা করেছেন।

রসিকতাবোেধ : নিমাইবাবুর বিচক্ষণতা চোখে পড়ার মতাে। তিনি সব্যসাচী রূপী, গিরীশ মহাপাত্রের বেশভূষার বাহার ও অপূর্ব রূপসজ্জার প্রতি অপূর্বর দৃষ্টি আকর্ষণ করেছিল।

কর্তব্যবােধ : নিমাইবাবু কর্তব্য সম্পর্কে সচেতন ছিলেন তিনি উপলদ্ধি করেছিলেন সব্যসাচীর মতাে রাজবিদ্রোহীকে গ্রেপ্তার করা আবশ্যক। তাই কোথাও তার কাজের ফাকি রাখতে রাজি ছিল না।         

উদার ও আন্তরিক : নিমাইবাবু ছিলেন উদার ও আন্তরিক মানুষ। তিনি অনুভব করেছিলেন, গিরীশ মহাপাত্রের ভগ্ন স্বাস্থ্যের অন্যতম কারণ তার এই গঞ্জিকা সেবন। তাই তিনি অনুরােধ করেছিলেন যেন গঞ্জিকা না খায়। মানবিক চরিত্র : নিমাইবাবু ছিলেন সুবিবেচক। তাই তিনি গিরীশ মহাপাত্রকে আন্তরিক উপদেশ দিয়েছিলেন এবং থানা থেকে বেরিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন।

মূল্যায়ন : স্বল্প আয়তনে নিমাইবাবুর চরিত্রটি আমাদের মুগ্ধ করে। এই চরিত্রের মানবিক দিকটিও আমরা প্রত্যক্ষ করতে পারি।

3. পথের দাবি রচনায় গিরীশ মহাপাত্রের চরিত্রটি সংক্ষেপে লেখ।

Answer : ভূমিকা : পথের দাবি মূলত রাজনৈতিক উপন্যাস। এই উপন্যাসের সঙ্গে জড়িয়ে আছে বিভিন্ন চরিত্র। পথের দাবির মূল চরিত্র সব্যসাচী মল্লিক। আমাদের পাঠ্য বইতে তিনি হলেন ছদ্মবেশী গিরীশ মহাপাত্র।

        সর্বত্যাগী বিপ্লবী : গিরীশ মহাপাত্র ছদ্মবেশে সব্যসাচী মল্লিক। পুলিশ স্টেশন থেকে পালিয়ে গিয়েছিলেন। তিনি দেশের মানুষের মঙ্গল চেয়েছিলেন তাই বৃহৎ কর্তব্যের অঙ্গীকারে তাকে ছদ্মবেশ ধারণ করতে হয়েছিল।

        পলিটিক্যাল আসামি : সব্যসাচী যথার্থই ছিলেন দেশপ্রেমিক। তাকে চিহ্নিত করা হয়েছে পলিটিক্যাল সাসপেক্ট রূপে। নিমাইবাবুর চোখে তিনি রাজ বিদ্রোহী। সব্যসাচীর চোখে অবশ্য তিনি মুক্তিপথের অগ্রদূত। আমাদের চোখে তিনি দেশের কাণ্ডারি।

        বহু গুণান্বিত চরিত্র : সব্যসাচীর গুণের অন্ত ছিল না। তিনি একজন ব্রাত্মণ ঘরের সন্তান। লেখাপড়া জানেন। একাধিক ভাষায় কথা বলতে পারেন। স্বাস্থ্য সম্পর্কে তার জ্ঞান আছে।

        ধর্মভীরু মানুষ : অপূর্বকে কথা প্রসঙ্গে সব্যসাচী জানিয়েছিলেন সে ধর্মভীরু মানুষ। সে কানাে নেশা করে না আসলে ছদ্মবেশ ধারণের জন্য তাকে এমন আচরণ করতে হয়েছিল।

        বুদিধদীপ্ত চরিত্র : গিরীশ মহাপাত্র অর্থাৎ সব্যসাচী মল্লিক নিঃসন্দেহেই বুদ্ধিদীপ্ত চরিত্র। তিনি এমনভাবে নিজকে উপস্থাপন করেছিলেন যাতে তার সম্পর্কে বিন্দুমাত্র সন্দেহের অবকাশ না থাকে।

        মূল্যায়ন : এভাবে গিরীশ মহাপাত্রের অন্তরালে থাকা সব্যসাচী মল্লিক চরিত্রটি হয়ে উঠেছে জীবন্ত চরিত্র।



উপরিউক্ত সাজেশন গুলি এবছর এর বাতিল করা সিলেবাসের ওপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়েছে এবং বিভিন্ন স্যার ম্যাম দের সহায়তা নিয়ে তৈরি করা হয়েছে আশা করব তোমাদের সাহায্য করবে। 

Post a Comment

Previous Post Next Post