Join Our Telegram Channel/ Daily New Update

ক্লাস ১১ | বাংলা প্রথম অধ্যায় গুরুত্বপূর্ণ নোটস ম্যাটেরিয়াল | 'কর্তার ভূত'






  🌿🌿🌿🌿🌿🌿🌿🌿🌿🌿🌿🌿

কর্তার ভূত গল্পের প্রেক্ষাপট


আমাদের দেশ ভারত বর্ষ তার সর্বাঙ্গ সম্পন্ন প্রাচীন সভ্যতা অনেকদিন আগেই ত্যাগ করেছে আর আমাদের এই বর্তমান সমাজ তারই প্রেত যোনি মাত্র। এই ভাবধারা কেই কর্তার ভূত গল্পটি সৃষ্টি। প্রাচীন সংস্কৃতি যে নতুন সংস্কৃতির পথেই সৃষ্টি হয়েছে তা এই গল্প পাঠে আমরা অনুভব করতে পারি। 



🌺🌺🌺🌺🌺🌺🌺🌺🌺🌺🌺

কর্তার ভূত গল্পের বিষয়বস্তু 



     রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কর্তার ভূত গল্পটি একটি অন্যতম রুপক ছোটগল্প। গল্পের তিনি রূপক অবলম্বন করেছেন ভারতবর্ষের প্রাচীন ঐতিহ্যের অন্তঃসারশূন্য সংস্কৃতিকে তুলে ধরার জন্য। প্রাচীন সংস্কৃতির স্বরূপ বুড়ো কর্তা মারা যাওয়ার সময় তার ধারক গণেরা চিন্তায় পড়লে ঈশ্বরের ভরসায় তিনি ভূত হয়ে অবস্থান করেন। 


    এই কর্তার ভূত সমস্ত দেশবাসীকে লালন পালন করে থাকে। যদি কেউ বেশি বুঝে ভূত শাসনের বাইরে যেতে চান তখন তাকে কান মলা খেতে হয়। এই ধরনের শাসন চলতে থাকলে দুই রকম জনগণের সৃষ্টি হয় - এক যারা ভূতকে মানে, আর দুই যারা ভুতকে মানে না। 


রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এই গল্পে দেখিয়েছেন যে প্রাচীন সভ্যতার অবসান হলেও সে সভ্যতার ধর্মতন্ত্র আধুনিক ভারতবর্ষকে কেমন ভাবে চারদিক থেকে বেঁধে রেখেছে। আর এর ফলে যুক্তি-বুদ্ধি বিচার-বিবেচনা হীন পরাধীন দেশ বাসীরা সেই ধর্মতন্ত্র কে আঁকড়ে ধরে দিবানিশি ঘুমিয়ে দিন কাটায়। 


🌿🌿🌿🌿🌿🌿🌿🌿🌿



কর্তার ভূত অধ্যায় থেকে সকল গুরুত্বপুর্ণ বহুবিকল্পীয় প্রশ্ন । উচ্চমাধ্যমিক বাংলা সহায়িকা



১. কর্তার ভূত গল্পটি লিখেছেন ?


উঃ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর


২.কর্তার ভূত গল্পটি প্রকাশিত হয় যে পত্রিকায় তার নাম –


উঃ প্রবাসী


৩. কর্তার ভূত যে জাতীয় রচনা তা হল –


উঃ ব্যঙ্গরূপকাত্মক


৪. যে সনে কর্তার ভূত কাহিনিতি প্রথম মুদ্রন আকারে প্রকাশিত হয় তা হল –


উঃ ১৩২৬ শ্রাবণ মাসে


৫. কর্তার ভূত গল্পে প্রধান চরিত্র –


উঃ ভূত


৬. দেবতার দয়ায় কর্তার যে অবস্থা হয় –


উঃ ভূত হয়ে অবস্থান করে


৭. ভূতগ্রস্থ দেশের লোক চলে –


উঃ চোখ বুজে


৮. ভূতুড়ে জেলখানার দারোগা ছিল –


উঃ নায়েব


৯. “তুমি গেলে আমাদের কি দশা হবে” – জার কথা বলা হয়েছে তিনি হলেন –


উঃ কর্তা


১০. ভূতের বাড়াবাড়ির হাত থেকে রক্ষা পেতে ডাকা হয় –


উঃ ওঝা


১১. চতুর্দিক থেকে যারা দেশে এসেছে তারা –


উঃ বর্গি


১২. যারা সজাগ দেশবাসীকে অশুচি বলেছে তারা –


উঃ শিরোমণি-চূড়ামণি


১৩. শিরোমণিরা বিধান দিয়েছে –


উঃ উদাসীন থাকতে


১৪. মাসি-পিসিরা শোনাবে –


উঃ কৃষ্ণনাম


১৫. “সেই খানেই ত ভূত” – যেখানের কথা বলা হয়েছে –


উঃ ভয়ের মধ্যে


১৬. পাশ ফিরে যারা শোয় তারা হল –


উঃ খোকা


১৭. বুলবুলি হুঁশিয়ারদের কাছে ঘেঁষতে চায় না –


উঃ প্রায়শ্চিত্তের ভয়ে


১৮. “সেখানেই তো ভূত” – বক্তব্যটি


উঃ কর্তার


১৯. ভূতের কোন দোষ যারা দেখতে পায় না তারা –


উঃ শিরোমণি-চূড়ামণি


২০. ভূত শাসনতন্ত্রে ওঝা ডাকা হয় না কারন –


উঃ ওঝা ভূতগ্রস্থ


২১. জেলখানার ঘানি যে কাজ করে তা হল –


উঃ তেজ বের করে দেয়


২২. ভূতগ্রস্থ দেশে আক্রমন করে –


উঃ বর্গি


২৩. ভূতকে মানলে যে ভাবনা থাকে না তা হলো –


উঃ ভবিষ্যতের


২৪. জার চলা দেখে চোখ বন্ধ করে চলাই আদিম বোঝা যায় সে হল –


উঃ কীটাণুর


২৫. দেশসুদ্ধ লোক যে বিষয়ে চিন্তিত হয়েছিল তা হল –


উঃ বুড়ো কর্তা মরে গেলে দেশবাসীর কি দশা হবে ?


২৬. কর্তার ভূত গল্পটি কোন গ্রন্থের অন্তর্গত ?


উঃ লিপিকা


২৭. কর্তার ভূত কত সালে প্রকাশিত হয় –


উঃ ১৯২২


২৮. কর্তার ভূত কি জাতীয় রচনা –


উঃ ব্যঙ্গ-রুপকধর্মী


২৯. চোখ বন্ধ করে চলে কারা –


উঃ কীটাণু


৩০. ভূতকে মানলে কাদের ভাবনা থাকে না ?


উঃ দেশবাসীর


৩১. কার মৃত্যুর ক্ষন উপস্থিত হয়েছিল ?


উঃ কর্তার


৩২. কর্তা কিরুপে অবস্থান করছিল ?


উঃ ভূত


৩৩. দেশের মাতব্বর কারা ছিল ?


উঃ শিরোমণি-চূড়ামণি


৩৪. কারা দেশ আক্রমন করেছিল ?


উঃ বর্গি


৩৫. বুলবুলিকে কি শোনানো হয় ?


উঃ কৃষ্ণনাম


৩৬. কৃষ্ণনাম কারা করেছিল ?


উঃ মাসি-পিসি


৩৭. যে লোকছড়াটি গল্পে ব্যবহৃত হয়েছে সেখানে কারা ঘুমালো ?


উঃ খোকা


৩৮. হুঁশিয়ার মানুষকে শিরোমণিরা কি বলেছেন ?


উঃ অশুচি


৩৯. “আমার ধরাও নেই ছাড়াও নেই”- উক্তিটি কার ?


উঃ কর্তার


৪০. জেলখানায় দারোগা কে ?


উঃ নায়েব


৪১. দেশবাসী নিশ্চিন্ত ছিল কেন ?


উঃ কর্তা ভূত হয়ে বিরাজ করছিল বলে


৪২. কাহিনির শেষে কিসের ইঙ্গিত পাওয়া যায় ?


উঃ মানুষ ভয় থেকে মুক্তি পেলেই ভূত থেকে মুক্ত হবে


৪৩. ভবিষ্যতকে ভূত শাসনতন্ত্রে কিসের সঙ্গে তুলনা করা হয়েছে ?


উঃ ভেড়া


৪৪. ‘ভূতগ্রস্ত’ বলতে আসলে কার কথা বলা হয়েছে ?


উঃ দেশবাসীর


৪৫. জেলখানা থেকে কে বেরিয়ে যায় ?


উঃ মানুষের তেজ


৪৬. কারা বেবাক ধান খেয়ে গেছে ?


উঃ বুলবুলি


৪৭. ভূত ছাড়াতে উদ্যত মানুষের কি বলা হয়েছে ?


উঃ অর্বাচীন


৪৮. জেলখানা থেকে তেজ বেরিয়ে গেলে কি হয় ?


উঃ মানুষ নিস্তেজ হয়ে পড়ে


৪৯. কর্তার ভূত গল্পে কোন দেশের পরিস্থিতির কথা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ইঙ্গিত দিয়েছেন ?


উঃ ভারতবর্ষের


৫০. দেশসুদ্ধ মানুষ ভূতগ্রস্ত হয়ে কিভাবে চলেছিল ?


উঃ চোখ বুজে


৫১. এ দেশের মানুষ ওঝা ডাকে না কেন ?


উঃ ওঝা নিজেই ভূতগ্রস্ত


৫২. বুড়ো কর্তার মৃত্যু কালে দেশবাসীর কি হয়েছিল ?


উঃ চিন্তিত হয়েছিল


৫৩. ভূত ছাড়ানোর কথা কে বলেছিল ?


উঃ অর্বাচীন


৫৪. খাজনা হিসাবে কি দেওয়া হয় ?


উঃ বুকের রক্ত


৫৫. ভূতের রাজত্বে কি থাকে ?


উঃ শান্তি


৫৬. কেবল অতি সামান্য কারনে একটু মুশকিল বাধল । কারণটি হল –


উঃ পৃথিবীর অন্য দেশগুলোকে ভুতে পায়নি


৫৭. তারা বলে ‘ভয় করে যে কর্তা’ । তাদের ভয়ের কারন –  


উঃ কর্তাকে ছাড়া তারা চলতে পারবে না


৫৮. “যেমন করে পারি ভূত ছাড়াব” – উক্তিটির বক্তা হল –


উঃ অর্বাচীনেরা


Post a Comment

Previous Post Next Post