🔰🔰 বিষয় সংক্ষেপ🔰🔰
🟢প্রথমবার গল্পটি পড়লে একটু খটকা লাগতে পারে। খটকা লাগার কারণ, এই গল্পের বিস্তার অন্যান্য গল্পের মতো নয়। গল্পের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত সবটাই যেন ধোঁয়াশায় ঢাকা। আবার গল্পের মূল চরিত্রের কি নাম সেটাও উল্লেখ নেই।
🟢 কলকাতা থেকে তিনজন যুবক তেলেনাপোতা গ্রামের উদ্দেশ্যে রওনা দেয়। তিনজনের মধ্যে একজন মনিদা যার দেশের বাড়ি এই তেলেনাপোতা গ্রামে। বহুকাল আগে ম্যালেরিয়া মহামারীতে এই গ্রামটি শ্মশানে পরিণত হয়েছিল। অনেকেই গ্রাম ছেড়ে শহরে বসবাস করেছিল, মনিদাও তার মধ্যে একজন। বাকি দুজনের নাম কল্পে উল্লেখ নেই। এদের একজন গল্পের মূল চরিত্র যার নেশা মাছ ধরা এবং মনিদার মুখে তেলেনাপোতার সহজ সরল মাছের কথা শুনে মাছ ধরার লোভে তার তেলেনাপোতার আশা। তৃতীয়জন পানরসিক বন্ধু অর্থাৎ নেহাত মদ্যপান করাই তার উদ্দেশ্য।
🟢 শহর কলকাতা থেকে তেলেনাপোতা যাওয়ার যাত্রাপথটি লেখক সুন্দরভাবে বর্ণনা দিয়েছেন। ভ্যাপসানি গরম, ঘন অন্ধকার পরিবেশ আর মশার কলরব সব মিশিয়ে অদ্ভুত যাত্রাপথ। রাতের অন্ধকারে একটি গরুর গাড়ি চেপে তারা তেলেনাপোতা উপস্থিত হয়। রাত্রির অন্ধকারে মৃত নগরীর মত নিস্তরঙ্গ তেলেনাপোতা গ্রাম। বাকি দুইজন ঘুমিয়ে পড়লেও গল্পের প্রধান চরিত্র অর্থাৎ শৌখিন মাছশিকারী বন্ধুটি ছাদে চলে যায়। সেখান থেকে তার চোখে পড়ে পাশের বাড়ির জানলায় দাঁড়িয়ে আছে একটি নারী মূর্তি। পরের দিন সকালে মাছ ধরতে গিয়ে আবার তার দেখা পাওয়া যায় কোমল-কঠিন এ মেশানো এক অপূর্ব নারী। এদিকে অনেক চেষ্টা করেও যখন সে কোন মাছ পেলোনা তখন হতাশ হয়ে ফিরে আসে এবং জানতে পারি সেই মেয়েটির নাম যামিনী আর তাদের বাড়িতেই আজ দুপুরের খাওয়া-দাওয়া তাদের।
🟢 যামিনীদের বাড়িতে গিয়ে এই বন্ধুটা(অর্থাৎ গল্পের প্রধান চরিত্র) জানতে পারে যে নিরঞ্জন নামে এক যুবক যামীনিকে বিয়ে করার কথা দিয়ে আর ফিরে আসেনি। যামিনী সেটা মেনে নিয়েছে কিন্তু তার পঙ্গু মা এখনো এই আশায় দিন গুনছে যে নিরঞ্জন এসে যামিনী কে বিয়ে করে নিয়ে যাবে। মনিদার সঙ্গে দুইজন যুবক এসেছে একথা শুনে যামীনির মায়ের ধারণা হয়েছে যে নিরঞ্জন ফিরে এসেছে আর তাই যামীনির মা মনিদার সাথে দেখা করতে যায়। মনিদা যামীনির মায়ের এরকম আবদার শুনে বিরক্ত হয়। এমন সময় মৎস্যশিকারি সেই বন্ধুটি আবেগবশত মনিদার সঙ্গে যায় যামিনীর মায়ের সঙ্গে দেখা করতে এবং সেখানে গিয়ে নিজেকে নিরঞ্জন বলে পরিচয় দেয়। যামীনির মাকে সে এই প্রতিশ্রুতি দেয় যে সে যামীনিকে বিয়ে অবশ্যই করবে।
🟢 মাছ শিকারি সেই বন্ধুটি তেলেনাপোতা থেকে ফেরার সময় নিজের মাছ ধরার সরঞ্জাম রেখে দিয়ে যায়। কদিন পরেই তো সে আবার তেলেনাপোতা এসে যামিনীকে বিয়ে করে নিয়ে যাবে এমনটা পরিকল্পনা ছিল। কিন্তু সে কলকাতায় ফিরে ম্যালেরিয়া কবলে পড়ে। অনেকদিন পর যখন সে সুস্থ হয় তখন কোথায় বা যামিনী আর কোথায় বা তেলেনাপোতা! সবাই ঝাপসা স্মৃতির মতো আস্তে আস্তে মন থেকে সরে যেতে থাকে। আর যামিনী??????? সবটা বুঝতে হলে গল্পটা পড়তে হবে।
🔷🔷ছােটোগল্প হিসেবে 'তেলেনাপােতা আবিষ্কার' রচনাটি কতখানি সার্থক, তা পর্যালােচনা করাে।🔷🔷
🟢ছােটোগল্পের প্রধান বৈশিষ্ট্য হল স্বল্প পরিসরে জীবনের গুরুত্বপূর্ণ একটি অংশকে প্রকাশ করা। 'ঘটনার ঘনঘটা', 'অতিকথন', তত্ত্ব, উপদেশ বা বহু চরিত্রের সমাবেশের কোনাে সুযােগ ছােটোগল্পে নেই।
🟢প্রতিদিনের কাজকর্ম এবং কলকাতা শহরের ভিড়ভাট্টায় হাঁপিয়ে উঠে তেলেনাপােতা আবিষ্কার গল্পের গল্পকথক দুই বন্ধুসহ বেড়াতে যাবেন তার অন্যতম বন্ধু মণির পূর্বপুরুষদের বাসভূমি তেলেনাপােতায়। সেখানে গিয়ে জীর্ণ প্রাসাদে জ্যোৎস্না রাতে নারীমূর্তি দর্শন, মাছ ধরতে গিয়ে বড়শিতে টান দিতে দেরি করা, যামিনীকে আবিষ্কার এবং যামিনীর মায়ের আশার মধ্য দিয়ে জীবনের এক অন্যরকম উপস্থাপনা গল্পে পাওয়া যায়। আর তার প্রেক্ষাপটে থেকে যায় রহস্যময়তার এক অসামান্য বিন্যাস।
🟢উত্তম পুরুষের আশ্রয়ে এবং ভবিষ্যৎকালের ক্রিয়াপদ ব্যবহারের সাহায্যে কথক এই গল্পে অত্যন্ত সুকৌশলে পাঠককেই নায়কের মর্যাদা দিয়ে দেন। তেলেনাপােতা আবিষ্কার গল্পে এইভাবে লেখক শহুরে, রােমান্টিক মধ্যবিত্ত শ্রেণির চরিত্রবৈশিষ্ট্য প্রকাশ করে এই ব্যঞ্জনার প্রকাশ ঘটিয়েছেন যে, পরার্থপরতা এবং রােমান্টিকতাকে মধ্যবিত্ত শ্রেণি সাময়িকভাবে গ্রহণ করলেও তার চরিত্রে স্বার্থমগ্নতা এবং বাস্তববাদিতাই শেষপর্যন্ত প্রাধান্য পায়। এই ভাবে ক্ষুদ্রের মধ্যে বৃহতের খন্ডের মধ্যে সমগ্রের ইঙ্গিত দিতে দিতে গল্পটি একমুখী লক্ষ্যের দিকে এগিয়ে গেছে। সুতরাং নিঃসন্দেহে তেলেনাপােতা আবিষ্কার একটি শিল্পসার্থক ছােটোগল্প।
তেলানাপোতা আবিস্কার অধ্যায় থেকে সকল গুরুত্বপূর্ন বহুবিকল্পীয় প্রশ্ন – উচ্চ-মাধ্যমিক বাংলা সহায়িকা
১. তেলানাপোতা আবিস্কার গল্পটি লিখেছেন –
উঃ- প্রেমেন্দ্র মিত্র
২. যোগাযোগ হলে তেলানাপোতা আবিস্কার হতে পারে-
উঃ- মঙ্গলবার
৩. তেলানাপোতায় জাবার জন্য যে মাধ্যমটি দরকার তা হল –
উঃ- বাস
৪. কলকাতা থেকে তেলানাপোতা যেতে আনুমানিক সময় লাগে –
উঃ- দুঘণ্টা
৫. তেলানাপোতা জায়গাটি –
উঃ- জনমানবহীন
৬. তেলানাপোতার আবহাওয়া –
উঃ- স্যাঁতসেঁতে
৭. তেলানাপোতা আবিস্কার করতে যারা গিয়েছিল তারা ছিল –
উঃ- তিন বন্ধু
৮. লেখক তেলানাপোতায় গিয়েছিলেন –
উঃ- মাছ শিকার ও ভ্রমনের উদ্দেশ্যে
৯. তেলানাপোতা ছিল ভীষণ –
উঃ- মশার উৎপাত
১০. যে বাহনে চরে তারা জঙ্গল থেকে গন্তব্যে পৌঁছেছিলেন সেটি ছিল –
উঃ- গোরুর গাড়ি
১১. গাড়োয়ান কানেস্তারা বাজাচ্ছিল কারন সেখানে ছিল –
উঃ- বাঘের ভয়
১২. কলকাতা থেকে তেলানপোতার দূরত্ব ছিল –
উঃ- তিরিশ মাইল
১৩. তেলানাপোতায় তিন বন্ধু যে বাড়িটিতে উঠেছিল সেটি ছিল –
উঃ- প্রাচীন অট্টালিকা
১৪. তেলানাপোতায় যে কটু গন্ধ তিন বন্ধুকে বিব্রত করেছিল তা ছিল –
উঃ- পুকুরের পানা পচার গন্ধ
১৫. তিনবন্ধুর মধ্যে দুজন ছিল –
উঃ- পানরসিক ও নিদ্রা বিলাসী
১৬. কৃষ্ণপক্ষের চাদের আলয় অট্টালিকাটিকে-
উঃ- অপরূপ মোহময় দেখায়
১৭. আলোর রেখার আড়ালে ছিল –
উঃ- রহস্যময় ছায়া মুর্তি
১৮. তেলানাপোতায় মাছ শিকার করতে গিয়ে প্রতিযোগী হবে –
উঃ- মাছরাঙা
১৯. মাছ শিকার করার সময় উদ্দিষ্ট ব্যক্তিটি দেখতে পায় –
উঃ- কলস হাতে এক রমণী
২০. যে রমণীটি উদ্দিষ্ট ব্যক্তির মাছ শিকার দেখেছিল তার নাম ছিল –
উঃ- যামিনী
২১. যামিনীর মাকে মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল –
উঃ- নিরঞ্জন
২২. বৃদ্ধাকে মিথ্যা সান্ত্বনা দিয়ে সাময়িকভাবে শান্ত করেছিলেন –
উঃ- উদ্দিষ্ট ব্যক্তি
২৩. উদ্দিষ্ট ব্যক্তিটি শেষপর্যন্ত আক্রান্ত হয়েছিলেন –
উঃ- ম্যালেরিয়াতে
২৪. যামিনী তিনবন্ধুর মধ্যে –
উঃ- মণির জ্ঞাতি
২৫. যামিনীর মুখের যে দিকটি উদ্দিষ্ট ব্যক্তিকে আকর্ষন করেছিল –
উঃ- করুন গাম্ভীর্য
২৬. উদ্দিষ্ট ব্যক্তি জ্বরের ঘোরে যে কথাটি নিজের হৃদস্পন্দনে শুনতে পাবেন তা হল –
উঃ- ফিরে আসবো
২৭. গোরুর গাড়ির এই ছই এর ভিতর ছিল –
উঃ- তিন জোড়া হাত পা ও তিনটি মাথা
২৮. তেলানাপোতা যাওয়ার সময় যে চাঁদ দেখা গিয়েছিল সেটি হল –
উঃ- কৃষ্ণপক্ষের
২৯. ম্যালেরিয়া দেবীর অদ্বিতীয় বাহন ছিল –
উঃ- অ্যানোফিলিস
৩০. যামিনীর মা তাদের তেলানাপোতার বাড়িটিকে বলেছেন –
উঃ- প্রেতপুরী
৩১. যামিনীর মা নিজেকে বলেছেন –
উঃ- ঘাটের মড়া
৩২. খাবার পরিবেশনকালীন যামিনী –
উঃ- চঞ্চল ও উদ্বিগ্ন ছিল
৩৩. যেখান থেকে তিনবন্ধু ও যামিনী ক্ষীণ কণ্ঠস্বর শুনতে পাচ্ছিল তা হল –
উঃ- উপর তলার ঘর
৩৪. যামিনী বাইরে যাবে –
উঃ- ব্যস্ত হয়ে
৩৫. খাওয়ার পর তিন বন্ধু –
উঃ- বিশ্রাম করে
৩৬. যামিনী কথকের দিকে তাকিয়েছিল –
উঃ- সোজাসুজি
৩৭. জীবনের সুদীর্ঘ নির্মম পথ পার হয়ে এসেছে –
উঃ- যামিনী
৩৮. উদ্দিষ্ট ব্যক্তিটির মাছ শিকার কালে চমক ভাঙে-
উঃ- জলের শব্দে
৩৯. উদ্দিষ্ট ব্যক্তিটি আনমনা হয়েছিল –
উঃ- উদাস ঘুঘুর ডাক শুনে
৪০. উদ্দিষ্ট ব্যক্তিটি হতাশ হয়ে পুকুর ঘাট থেকে উঠেছিল –
উঃ- সাজসরঞ্জাম নিয়ে
৪১. একসাথে অনেক কথা বলে বৃদ্ধা –
উঃ- হাঁফান
৪২. মহানগর বলিতে বোঝান হয়েছে-
উঃ- কলিকাতা
৪৩. লেখকদের ভাষায় গোরুর গাড়িটি ছিল –
উঃ- পাতালের কোন বামনের দেশ থেকে আসা ক্ষুদ্র সংস্করণ
৪৪. সাঁকোর উপর দিয়ে বাস যাবার সময়-
উঃ- ঘর্ঘর শব্দ হয়
৪৫. বড় রাস্তা থেকে তিনবন্ধু নেমে –
উঃ- জলার কাছে দাড়ায়
৪৬. তেলানাপোতা আবিস্কারের জন্য-
উঃ- দুদিনের ছুটি দরকার
৪৭. তিনবন্ধু তেলানাপোতা গিয়েছিলেন –
উঃ- ভাদ্রমাসে
৪৮. উদ্দিষ্ট ব্যক্তিটি পোনা ছাড়া আর যে মাছ শিকার করেছেন তা হল –
উঃ- পুঁটি
৪৯. সামনের ঘন জঙ্গলে –
উঃ- নালা কেটে রাখা
৫০. ছই এর ভিতর থেকে আকাশে দেখা যায়-
উঃ- তারা
৫১. তেলানাপোতা আবিস্কার গল্পটি কার লেখা –
উঃ- প্রেমেন্দ্র মিত্র
৫২. কোন দিনে লেখক সৃষ্ট চরিত্ররা তেলানাপোতার উদ্দেশ্যে যাত্রা করেছিল-
উঃ- মঙ্গলবার
৫৩. তিনবন্ধু কিসে করে তেলানাপোতার উদ্দেশ্যে যাত্রা করে –
উঃ- বাসে
৫৪. উদ্দিষ্ট ব্যক্তির অপর দুই বন্ধু কিসে আসক্ত-
উঃ- সুরাপানে ও নিদ্রায়
৫৫. তেলানাপোতায় নেমে উদ্দিষ্ট ব্যক্তি কিসে করে গন্তব্যে পৌছায়-
উঃ- গোরুর গাড়ি
৫৬. গোরুর গাড়ির চালক কে কি বলে –
উঃ- গাড়োয়ান
৫৭. গাড়োয়ান অন্ধকার রাস্তায় কিসের ভয় দেখায় –
উঃ- বাঘের
৫৮. যেখানে তিনবন্ধু রাত্রি বাস করেছিল সেটি কি ছিল –
উঃ – প্রাচীন অট্টালিকা
৫৯. উদ্দিষ্ট ব্যক্তিটি কিসের আগ্রহে তেলানাপোতা এসেছিল –
উঃ- মাছ শিকারের
৬০. যে রমণীকে উদ্দিষ্ট ব্যক্তিটি পুকুরধারে দেখেছিল তার নাম কি ছিল –
উঃ- যামিনী
৬১. যামিনীর পরিবারে কে কে ছিল –
উঃ- যামিনী ও তার মা
৬২. যামিনীকে বিবাহের প্রতিশ্রুতি কে দিয়েছিল –
উঃ- নিরঞ্জন
৬৩. যামিনীর মাকে শান্ত করেছিল কে –
উঃ- উদ্দিষ্ট ব্যক্তিটি
৬৪. তেলানাপোতায় কিসের উপদ্রব বেশি-
উঃ- মশার
৬৫. কোন রোগে তেলানাপোতায় সর্বাধিক আক্রান্ত হয় –
উঃ – ম্যালেরিয়াতে
৬৬. শেষ পর্যন্ত যামিনীর বৃদ্ধা মা কার কথায় শান্ত হয় –
উঃ- উদ্দিষ্ট ব্যক্তিটির
৬৭. যামিনীর পারিবারিক পরিস্থিতি কার কাছ থেকে জানা যায় –
উঃ- মণির
৬৮. কলিকাতায় ফিরে উদ্দিষ্ট ব্যক্তিটি কোন রোগে আক্রান্ত হয় –
উঃ- ম্যালেরিয়া
৬৯. উদ্দিষ্ট ব্যক্তিটির জ্বর কত পরিমাপ করেছিল
অথবা
তেলানাপোতায় ফিরে যাওয়ার প্রস্তুতির দিনে থার্মোমিটারের পারাদেহের তাপমাত্রা জানাবে –
উঃ- একশ পাঁচ ডিগ্রি
৭০. তেলানাপোতার প্রকৃত অবস্থান কোথায়-
উঃ- নদীয়ায়
৭১. তেলানাপোতায় কারা ঘরের অধিকার নিয়ে সমস্ত রাত বিবাদ করবে –
উঃ- চামচিকেরা
৭২. মাছেরা আর শিকারির সাথে প্রতিযোগিতা করেনি কেন –
উঃ- শিকারি আদৌ নিপুন ছিল না
৭৩. তেলানাপোতায় চলন্ত জীবন স্তব্ধ হয়েছিল কেন ?
উঃ- ম্যালেরিয়ার প্রকোপে
৭৪. পুকুরের ওপারে কোন পাখি বসেছিল –
উঃ- মাছরাঙা
৭৫. তেলানাপোতা দ্বিতীয়বার উদ্দিষ্ট ব্যক্তি ফিরে যায়নি কেন –
উঃ- আবেগবিমুক্ত হয়েছিল বলে
৭৬. বৃদ্ধাকে উদ্দিষ্ট ব্যক্তিটি কি আশ্বাস দিয়েছিল-
উঃ- তিনি যামিনীকে বিবাহ করবেন
৭৭. কে পুকুর থেকে কলসে জল ভরেছিল-
উঃ- যামিনী
৭৮. গল্পের নিদ্রা বিলাসী বন্ধুকে কি সম্বোধন করা হয়েছে –
উঃ- কুম্ভকর্নের দোসর
৭৯. “বড় রাস্তা থেকে নেমে সেই ভিজে জলার কাছেই গিয়ে দাড়াতে হবে আপানাকে”- কারন-
উঃ- সামনের ঘন জঙ্গলের ভিতর দিয়ে মনে হবে একটা কাদা জলের নালা কে যেন কেটে রেখেছে
৮০. “হঠাৎ জলের শব্দে আপনার চমক ভাঙবে”- জলে শব্দটার কারন –
উঃ- একটি মেয়ে পিতলের ঝকঝকে কলসিতে পুকুরের পানা ঢেউ দিয়ে সরিয়ে জল ভরছে
৮১. “প্রায় ঘর জোড়া একটি ভাঙা তক্তপোশে ছিন্ন কন্থা জড়িত একটি শীর্ন কঙ্কালসার মুর্তি শুয়ে আছে”- ছিন্ন কন্থার অর্থ হল –
উঃ- ছেড়া কাঁথা
