Join Our Telegram Channel/ Daily New Update

বাংলা সাজেশন || প্রলয়োল্লাস থেকে সাজেশন || উত্তর সহ সাজেশন || মাধ্যমিক ২০২২

 বাংলা সাজেশন || প্রলয়োল্লাস থেকে সাজেশন || উত্তর সহ সাজেশন || মাধ্যমিক ২০২২





প্রলয়োল্লাস সাজেশন

বহু বিকল্পভিত্তিক প্রশ্নোত্তর [MCQ] : [প্রতিটি প্রশ্নের মান-1]

1. “আসছে এবার অনাগত”–‘অনাগত’ বলতে বােঝানাে হয়েছে-

[A] কালবৈশাখীকে     [B] পৌর্তুগিজ দস্যুদের     [C] জাঠ-কালাপাহাড়কে [D] ভয়ংকরকে

Answer : [D] ভয়ংকরকে

2. “ – রবির বহ্নিজ্বালা ভয়াল তাহার নয়নকটায়।” [শূন্যস্থান পূরণ করাে ]

[A] দ্বাদশ     [B] ত্রয়ােদশ   [C] একাদশ [D] পঞ্চদশ

Answer : [A] দ্বাদশ

3. “সিন্ধুপারের সিংহদ্বারে ধমক হেনে ভাঙল আগল”—কে আগল ভাঙে?

[A] বিশ্বজননী     [B] দেশের সাধারণ মানুষ।     [C] জাতীয়তাবাদী [D] প্রলয়-নেশার নৃত্য পাগল শিব

Answer : [D] প্রলয়-নেশার নৃত্য পাগল শিব

4. “দিগম্বরের জটায় হাসে শিশু চাদের কর…’ ‘চাদের হাসির অর্থ-

[A] ঝড়বৃষ্টি থেমে গেছে।    [B] নতুন সৃষ্টির সুখ [C] অন্ধকার ঘনিয়ে আসছে     [D] অন্ধকার দূর হয়েছে

Answer : [B] নতুন সৃষ্টির সুখ

5. ‘প্রলয়ােল্লাস’ কবিতাটির কবি হলেন-

[A] কাজী নজরুল ইসলাম     [B] অক্ষয়কুমার বড়াল।   [C] অতুলপ্রসাদ সেন [D] রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

Answer : [A] কাজী নজরুল ইসলাম

6. “সপ্ত মহাসিন্ধু দোলে/কপােলতলে!”—কপােল’ শব্দের অর্থ

[A] গণ্ডদেশ বা গাল     [B] গলা [C] চিবুক   [D] কপাল

Answer : [A] গণ্ডদেশ বা গাল

7. কবি কাজি নজরুল ইসলাম যে দেশের জাতীয় কবি হিসেবে স্বীকৃত

[A] ভারত     [B] বাংলাদেশ     [C] নেপাল [D] শ্রীলঙ্কা

Answer : [B] বাংলাদেশ

8. “তােরা সব জয়ধ্বনি কর!”—তােরা’ বলতে বােঝানাে হয়েছে-

[A] ভারতীয় নারীদের     [B] ভারতীয় পুরষদের [C] কুসংস্কারে আচ্ছন্ন ভারতীয়দের     [D] ভারতীয় শিক্ষিত পণ্ডিতদের

Answer : [C] কুসংস্কারে আচ্ছন্ন ভারতীয়দের

9. ‘হেসা’ শব্দের আভিধানিক অর্থ হল-

[A] সারমেয় অর্থাৎ কুকুরের ডাক     [B] গােরুর ডাক [C] হাতির ডাক ।   [D] ঘােড়ার ডাক

Answer : [D] ঘােড়ার ডাক

10. “সর্বনাশী জ্বালামুখী – তার চামর দুলায়।” [ শূন্যস্থান পূরণ করাে ]

[A] আগ্নেয়গিরি     [B] ধূমকেতু [C] দাবানল।     [D] কৃপাণ

Answer : [B] ধূমকেতু

অতিসংক্ষিপ্ত উত্তরধর্মী প্রশ্নোত্তর : [প্রতিটি প্রশ্নের মান-1]

1. “তােরা সব জয়ধ্বনি কর।”—পঙক্তিটিতে কাদের জয়ধ্বনি করার কথা বলা হয়েছে?

Answer : কাজী নজরুল ইসলাম রচিত অগ্নিবীণা কাব্যগ্রন্থের প্রথম কবিতা ‘প্রলয়ােল্লাস’-এর প্রশ্নোত পঙক্তিটিতে পরাধীন দেশের নাগরিকদের জয়ধ্বনি করার কথা বলা। হয়েছে।

2. “ওই নূতনের কেতন ওড়ে…” নূতনের কেতন ওড়ার সংবাদটি কে বহন করে আনে?

Answer : ‘নূতনের কেতন ওড়ার সংবাদটি কালবৈশাখীর ঝড় বহন করে আনে।

3. “তােরা সব জয়ধ্বনি কর।”—পঙক্তিটিতে কার জয়ধ্বনির কথা বলা হয়েছে?

Answer : ‘অগ্নিবীণা’ কাব্যগ্রন্থের প্রথম কবিতা ‘প্রলয়ােল্লাস’-এ ধ্বংস ও সৃষ্টির দেবার। জয়ধ্বনি করার কথা বলা হয়েছে।

4. ..ধূমকেতু তার চামর দুলায়।”—প্রলয়ােল্লাস’ কবিতায় ধূমকেতুকে কী কী বিশ্লেষণে ভূষিত করা হয়েছে?

Answer : ‘প্রলয়ােল্লাস’ কবিতায় ‘ধূমকেতু’কে ‘সর্বনাশী’ ও ‘জ্বালামুখী’ বিশেষণে ভূষিত করা হয়েছে।

5. “আসছে নবীন!”-নবীনের আসার উদ্দেশ্যটি লেখাে।

Answer : পরাধীন ভারতবর্ষের জীবনহারা, প্রাণহীন, জড়, অসুন্দরকে বিনাশ করতেই নবীনের সুভাগমন, এ কথাটিই ফুটে উঠেছে কাজী নজুরল ইসলামের ‘প্রলয়ােল্লাস’ কবিতায়।

6. “সপ্ত মহাসিন্ধু দোলেকপােলতলে।”—কার কপােলতলে সপ্ত মহাসিন্ধু দুলে ওঠে?

Answer : পঙক্তিটিতে ভাঙনের দেবতা দেবাদিদেব মহাদেবের একফোটা চোখের জলে। তারই গালে সাতসমুদ্র দুলে ওঠার কথা বলা হয়েছে।

দশম শ্রেণীর বাংলা সাজেশন : প্রলয়ােল্লাস – সংক্ষিপ্ত উত্তরধর্মী প্রশ্নোত্তর : [প্রতিটি প্রশ্নের মান-3]

1. ‘দিগম্বরের জটায় হাসি শিশু চাদের কর’—প্রসঙ্গটি উল্লেখের কারণ লেখ।

Answer : প্রসঙ্গ : দিগম্বর অর্থাৎ মহাদেব নটরাজ মূর্তিতে ধ্বংসের তাণ্ডব সৃষ্টি করেন। কিন্তু তা আসলে সৃষ্টিকে রক্ষা করার জন্য। দিগম্বরের দ্বিতীয় নেত্রের ওপরে থাকে চাদ যা সব হারানােরূপে সুন্দরের প্রতিষ্ঠা করে। স্বাধীনতা ও সমাজ রূপান্তরের স্বপ্ন দেখা কবি এই প্রসঙ্গটি উল্লেখ করেছেন কারণ বিপ্লবের পথে ধ্বংস অনিবার্য হলেও তা আসলে সুন্দরের অভিষেককে নিশ্চিত করে।

2. ‘সর্বনাশী জ্বালাময়ী ধূমকেতু তার চামর দুলায়’—কোন প্রসঙ্গে একথা বলা হয়েছে লেখ।

Answer : প্রসঙ্গ : সংগ্রামের পথ কখনাে ফুলে ঢাকা নয়। স্বাধীনতার জন্য মানুষের যে সংগ্রাম তার পথ তৈরি হয় মৃত্যু আর রক্তপাতের মধ্য দিয়ে। যে কারণে কবি তার কল্পনার রুদ্ররুপী কালীর কথা স্মরণ করেছেন। মহাদেবী কালী যেমন সব কিছুকে ধ্বংস করে নতুন করে সৃষ্টি করেন। সে রকমই নতুন প্রলয়ের মধ্য দিয়ে আগামী দিনের পৃথিবী সৃষ্টি হবে। এখানে কবি সে কথায় বলেছেন।

প্রলয়ােল্লাস – রচনাধর্মী প্রশ্নোত্তর : [প্রতিটি প্রশ্নের মান-5]

1. প্রয়ােল্লাস কবিতার মূল বক্তব্য নিজের ভাষায় লেখ।

Answer : মূল বক্তব্য : বাংলা সাহিত্যের কবি নজরুল ইসলামের আবির্ভাব ধুমকেতুর মতাে অপ্রত্যাশিত আকস্মিক। তিনি ঝড়ের বেগে রীতিমতাে প্রলয় সৃষ্টি করে পরাধীন জাতির মুক্তির স্বপ্নকে আলােকিত করে।

 কবি নজরুল প্রলয়ােল্লাস নামাঙ্কিত কবিতার সুচনাতে কালবৈশাখী ঝড়কে আহ্বান করেছেন। তিনি বিশ্বাস করেন প্রচণ্ড গতিতে যেমন করে কালবৈশাখী সবকিছু ভেঙ্গে চুরে দেয় তেমন করে নটরাজ শিব সবকিছু ভেঙে আবার নতুন জগৎ তৈরি করবেন। পুরাণের নটরাজ শিবের রুদ্র মূর্তিকে কবি প্রলয়ােল্লাস কবিতায় বিশেষ তাৎপর্যে ব্যবহার করেছেন। কবি হিসাবে নজরুল বিদ্রোহী। তার দুর্দান্ত বিদ্রোহে সমাজের সমস্ত অবিচার অত্যাচার অনাচার দুরিভুত হয়েছিল। তিনি সেকেলে সংস্কার, প্রাচীন চিন্তাধারা যেমন বদলাতে চেয়েছিলেন, তেমন ব্রিটিশ শাসনের নাগপাশে বদ্ধ মানুষের দুর্দশা থেকে মুক্তি চেয়েছিলেন। এজন্য তিনি বলেছেন—অনাগত মহাকাল এমনভাবে এগিয়ে আসবে যার ফলে সিন্ধু পারে সিংহদ্বারের আগল যাবে ভেঙে। মৃত্যু গহন অন্ধকারে এক সময় জ্বলে উঠবে বজ্ৰশিখার মশাল। আর তেখন সমস্ত অশুভ শক্তি দূর হয়ে যাবে। নজরুল মনে করেন সর্বনাশী জ্বালামুখী ধূমকেতুর মতাে সহসা আবির্ভূত হয়ে রক্ত কৃপাণ হাতে অট্টহাসিতে মুখর করে শত্রুর রুক্ষ বিদীর্ণ করবেন। তার অট্টহাসিতে কম্পিত হবে। আসুরিক শক্তি তিনি এই পুরাণ কল্পনার পাশাপাশি শিল্পের রুদ্রমূর্তিকে বিশেষভাবে স্মরণ করেছেন। অর্থাৎ একইসঙ্গে শিবকালী এই শক্তিকে এক জায়গায় দাঁড় করিয়ে কবি এই বার্তা দিতে চেয়েছেন যে—অন্ধকারার বন্ধ কুপে এবার আশার আলাে পৌঁছে যাবে আর তখন অসুন্দর, অত্যাচারী রাজশক্তি ধীরে ধীরে লুপ্ত হবে। জেগে উঠবে চিরসুন্দর। সেই সুন্দরকে কবি বরণ করে নিতে বলেছেন। প্রলয়ােল্লাস কবিতায় প্রলয়ের মধ্যে সৃষ্টি উল্লাস দেখেছেন কবি। তাই এই কবিতা হয়ে উঠেছে ধ্বংসের শেষে সৃষ্টির উদ্ভুত এক আনন্দের প্রতিচ্ছবি।

2. বজ্ৰ শিখার মশাল জ্বেলে আসছে ভয়ংকর’—ভয়ংকর বলতে কাকে বােঝানাে। হয়েছে? তার সম্পর্কে আর কোন বিশেষণ ব্যবহার হয়েছে? তার এমন রূপে। আগমণের কারণ কবিতা অবলম্বনে লেখ।

Answer : ভয়ংকর : কবি কাজী নজরুল ইসলাম রচিত প্রলয়ােল্লাস কবিতা সংগৃহিত আলােচ্য অংশে ভয়ংকর বলতে বােঝানাে হয়েছে ভয় সৃষ্টিকারী প্রলয়ংকর শক্তিতে। প্রচলিত সমাজ ব্যবস্থায় তথা অচল আয়তনে বিভীষিকাময়রুপ নিয়ে যার আগমন যার দর্শনে ভাসমান মানব হৃদয় বেদনায় মুহ্যমান হয়ে পড়ে আতঙ্কিত হয়ে ওঠে অনাগত বিপদের সম্ভাবনা এখানে সেই রূপ সত্তাকে ভয়ংকর বলে অভিহিত করা। হয়েছে।

 ভয়ংকরের বিশেষণ : ভয়ংকরকে কবি অন্য যে বিশেষণে অভিহিত করেছেন তা হল প্রলয় নেশার নৃত্যপাগল অর্থাৎ এখানে ভয়ংকর রূপে বিদ্রোহী কবি মহাদেবের চণ্ডরূপকে চিহ্নিত করেছেন।

 আগমনের কারণ : প্রচলিত সমাজ ব্যবস্থায় আমরা অভ্যস্থ হয়ে পড়ি। একী। প্রবাহমান ধারায় আমরা প্রবাহিত হতে থাকি। নতুনকে আমরা তখন সহজে বহন করতে চায় না। ইংরেজ শাসনে বন্দি আমাদের ভারতমাতা। শৃঙ্খলাবদ্ধ একশাে কোটি সন্তান তারা পরাধীনতার অন্ধকারে ডুবে রয়েছে। অজ্ঞানতার অন্ধকারে তারা নিমজ্জিত। এই অন্ধকারকে ছিন্ন করে স্বাধীনতার রূপ আলােকে উদ্ভাসিত করতে আসছে ভয়ংকর যাকে কবি মহাদেব বলে অভিহিত করেছেন। মহাকালের রূপ নিয়ে তার আগমন কাল প্রবাহে পুরাতনকে ধ্বংস করে বজ্রের শিখার মতাে আলােক বর্তিকা নিয়ে তার আগমন। তিনি আমাদের হৃদয়ের অন্ধকার রূপ অজ্ঞানতা দূর করে জ্ঞান রূপ আলােক ধারায় প্রবাহিত করে দেবে। তাই যিনি আমাদের পরাধীনতার প্রসার অন্ধকার দূর করতে স্বাধীনতার আলােকে দীপ্ত পথে নিয়ে যাবে তাকে ভয়ংকর রূপে কবি মনে করেছেন।





উপরিউক্ত সাজেশন গুলি এবছর এর বাতিল করা সিলেবাসের ওপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়েছে এবং বিভিন্ন স্যার ম্যাম দের সহায়তা নিয়ে তৈরি করা হয়েছে আশা করব তোমাদের সাহায্য করবে। 

Post a Comment

Previous Post Next Post